Breaking News
Home / খেলাধূলা / ওজিলের নামে রাস্তার নাম রেখে তাকে সম্মান দিলো তুরস্ক

ওজিলের নামে রাস্তার নাম রেখে তাকে সম্মান দিলো তুরস্ক

বর্ণবৈষম্য ও অসম্মানের শিকার হয়ে গেল সোমবার জার্মান জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছে মেসুত ওজিল। এর একদিন পরই তার নামে রাস্তার নামকরণ করে তাকে সম্মান জানিয়েছে তুরস্ক।

দেশটির উত্তরে ব্লাক-সি প্রদেশের ডেভারেক জেলায় ঐ রাস্তার অবস্থান। ঐ শহরেই ওজিলের পূর্বপুরুষরা বসবাস করতেন। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে জার্মানিতে গিয়ে তার পরিবার প্রবাস জীবনযাপন করতে থাকে।

তুরস্ক গণমাধ্যমের খবর, জার্মানীর হয়ে ওজিলের অনন্য অর্জনের স্মরণে রাস্তাটির নামকরণ করা হয়েছে। রাস্তার শুরুতে তার নামে নামকরণের ফলক রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে বিলবোর্ডও। সেখানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপে এরদোগানের সঙ্গে এ মিডফিল্ডারের ছবি শোভা পাচ্ছে। ইতিমধ্যে রাস্তাটির কাজ আরম্ভ হয়েছে।

জেলা মেয়র জানিয়েছেন, ওজিল ও প্রেসিডেন্টের ছবিটি সরিয়ে নেয়া হবে। কেবল নামফলক থাকবে।

সদ্যই পর্দা নেমেছে রাশিয়া বিশ্বকাপের। ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ২০ বছর পর সোনালী ট্রফিতে চুমু এঁকেছে ফ্রান্স। এর আগে গেল মে মাসে লন্ডনে তুর্কি রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ওজিল। তখন এরদোগানকে আর্সেনালের জার্সি উপহার দেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন আরেক তুর্কি বংশোদ্ভূত ফুটবলার ইকায় গুন্দোগান।

মুহূর্তেই তাদের সাক্ষাতের ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি জার্মানীর সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী। তুরস্ক ও জার্মানির কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় বিপাকে পড়েন ওজিল। জার্মান গণমাধ্যম রীতি মতো তার ওপর মানসিক অত্যাচার করে। তাকে বিশ্বকাপ দলে না অন্তর্ভুক্ত করতে জোরালো দাবি জানায়। তা সত্ত্বেও দলীয় স্বার্থে এ মিডফিল্ডারকে স্কোয়াডে রাখেন কোচ জোয়াকিম লো।

বিশ্বকাপ চলাকালে পরিস্থিতি শান্ত ছিলো। বিপত্তিটা বাঁধে প্রথম রাউন্ড থেকে জার্মানী বিদায় নিলে। ফের রোষানলে পড়েন ওজিল। নানা আপত্তিকর মন্তব্য তো বটেই; মৃত্যুর হুমকিও পান তিনি। শেষ পর্যন্ত বর্ণবাদ ও অসম্মানের অভিযোগ এনে জার্মানী জাতীয় দলকে বিদায় জানান ২৯ বছরের এ আর্সেনাল মিডফিল্ডার। সূত্র: যুগান্তর।

About superadmin

Check Also

অবশেষে ওজিল ইস্যুতে ভুল স্বীকার করলো জার্মানী

অবশেষে বোধোদয় হয়েছে জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএফবি)। ওজিল ইস্যুতে ভুল স্বীকার করেছেন সংস্থাটির প্রধান রেইনহার্ড ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *